৩০শে জুন ২০২৬ এর পরে সৌদি আরবে কী হবে আতঙ্ক সকল প্রবাসী
আসলে ৩০ জুন ২০২৬ এর পরে কি হবে অনেক প্রবাসী এই ভয়ে আছেন অবশেষে সেই আপডেত আসছে । সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘কিওয়া’ (Qiwa) কর্তৃক প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট এবং কর্মসংস্থান চুক্তি সংক্রান্ত বেশ কিছু নতুন নিয়ম ও নির্দেশিকা সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রধান বিষয়গুলো কি কি আসলে কি হতে যাচ্চে প্রবাসীদের জিবনে নিচে তুলে ধরা হলো:
৩০শে জুন ২০২৬ এর পরে ওয়ার্ক পারমিট বাতিল
৩০ এ জুনের পড়ে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে যেসব প্রবাসী কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট ৩ মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ থাকবে বা মেয়াদ নাই , তাদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মানে সে যে কম্পানিতে আসছে বা যে কম্পানির অধিনে সে কাজ করতেছে সেই সকল প্রবাসীদের কিওয়া রেকর্ড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপসারণ বা বাতিল করা হবে। এই নিয়মটি প্রবাসীর রেসিডেন্সিভস্ট্যাটাস বা ইকামা পরিস্থিতি উপড় বিবেচনা করে প্রযোজ্য হবে।
আরো পড়ুন – আজকের স্বর্ণের দাম আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশ
ইতালিতে ক্লিনিং ও হাউস-কিপিং কাজ কোথায় কাজ পাবেন এবং বেতন কত
সৌদি আরবে ওয়ার্ক পারমিট কি
আমরা অনেকে জানি না যে আসলে সৌদি আরবে আসলে ওয়ার্ক পারমিট হয় নাকি সবাই ত জানি আকামা দিয়েই সব চলে আসলে এমন না আপনি যখন কোন দেশে বা কোন কম্পানি তে চাকরি করতে যাবেন যেমন সৌদি আরবে সেখানে আকামা আছে তার পাশাপাশি ওয়ার্ক পারমিট আছে ওয়ার্ক পারমিট হলো আপনি যে কম্পানিতে বা কোন কফিল বা মালিকের অধিনে আছেন তার একটা প্রমাণ পত্র সেখানে সব বিস্তারিত লেখা আছে আপনি কতদি কাজ করবেন বেতন কত খাওয়া থাকা কি মালিক দিবে কি না সেই সব কিছু থাকে এই ওয়ার্ক পারমিটে যা মূলত বেশির ভাগ প্রবসিদের ১ বছরের জন্য করা হয় যা এক বছড় পড়ে আবার মেয়াদ বাড়াতে হয় যা আপনার কম্পানি বা কফিল করে থাকে। আর সহজে বলতে গেলে আপনি যখন বিদেশে আসেন আপনাকে একটা পেপার বা চুক্তিপত্র দেওয়া হয় যেখানে সিগনাচার করেন সেটাই ওয়ার্ক পারমিট।
বিশেষ সময়সীমা
সৌদি আরবে শ্রম ও প্রবাসীদের পরিস্থিতি ও নিয়ম প্রতিপালনের হার বিবেচনায় নিয়ে, সৌদি মন্ত্রণালয় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত একটি বিশেষ সুযোগ দিয়েছেন। যেসব কর্মীর কাজের চুক্তি প্ত্র ওয়ার্ক পারমিট এর মেয়াদ ১২ মাস বা তার বেশি সময়ের আগে শেষ হয়ে গেছে, তারা এই সময়ের মধ্যে জরিমানা ছাড়াই পরিস্থিতি সংশোধন করার সুযোগ পাবেন।
ইকামার মেয়াদের সাথে সম্পর্ক: কোনো কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ যদি চলে যায়, কিন্তু যদি তার ইকামার মেয়াদ অন্তত ১৮০ দিন অবশিষ্ট থাকে, তবে তাকে খুভ দ্রুত রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হবে না। কিন্তু ইকামার মেয়াদ ১৮০ দিনের কম থাকলে, আপনার নিয়োগকর্তাকে অবশ্যই ওয়ার্ক পারমিট ও ইকামা উভয়ই নবায়ন করতে হবে।
নিয়োগকর্তার দায়িত্ব: বৈধ পারমিট ছাড়া কোনো কর্মীকে কাজ করানোর পুরো সময়ের বকেয়া আর্থিক দায় ও ফি নিয়োগকর্তাকেই বহন করতে হবে। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে আগের মেয়াদ যাওয়া আকামার বকেয়া টাকা ওয়ার্ক পারমিট ফি পরিশোধ, নতুন পারমিট ইস্যু বা প্রয়োজনে অন্য প্রতিষ্ঠানে কাফালা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য জোর আহ্ব্বান জানানো হয়েছে।
চুক্তি নথিবদ্ধকরণ : কিওয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কর্মসংস্থান চুক্তি নথিবদ্ধ করার হার ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে ৯০%-এ উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল মন্ত্রণালয়। এই প্রক্রিয়াটি প্রবাসীদের অধিকার সুরক্ষা এবং কাজের পরিবেশকে স্বচ্ছ করার একটি অংশ।
প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি: প্রিমিয়াম রেসিডেন্সিধারীদের জন্যও এখন থেকে কিওয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ওয়ার্ক পারমিট গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
আপনার কর্মক্ষেত্রের সকল কাগজ প্ত্র বৈধ কি না তা নিশ্চিত করতে দ্রুত কিওয়া পোর্টালে আপনার প্রোফাইলটি চেক করুন এবং কোনো অমিল থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগকর্তার সাথে যোগাযোগ করে তা সমাধান করুন।

